শেষ আট থেকে মেসি পিছিয়ে, রোনালদো এত এগিয়ে!

0
135

গত ১০ ফেব্রুয়ারি হ্যাটট্রিক করেছিলেন রিয়াল সোসিয়েদাদের জালে। তখন থেকে এ পর্যন্ত সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে ১১ ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ২১। রিয়াল মাদ্রিদের ইতিহাসে সর্বোচ্চ গোলদাতার এখন গোলের সঙ্গে ‘মধুচন্দ্রিমা’ কাটছে!
ক্রিস্টিয়ানো রোনালদোর ক্যারিয়ারে এমন ‘মধুচন্দ্রিমা’ কম আসেনি। ইংলিশ প্রিমিয়ার লিগের পর এখন লা লিগা মাতাচ্ছেন। তবে লিগের বাইরে রিয়াল তারকার সবচেয়ে পছন্দের আসর নিঃসন্দেহে চ্যাম্পিয়নস লিগ। ইউরোপসেরা হওয়ার এ মঞ্চে নকআউট পর্বে রোনালদো আরও বেশি ভয়ানক। এবার শেষ ষোলো থেকে কোয়ার্টার ফাইনালের চার ম্যাচে তাঁর গোলসংখ্যা ৬টি। এর মধ্যে কোয়ার্টার ফাইনাল ফিরতি লেগে সর্বশেষ গোলটি রিয়ালকে তুলে দিয়েছে সেমিফাইনালে। সেটা আবার রোনালদোর চ্যাম্পিয়নস লিগে ক্যারিয়ারে ১৫০তম ম্যাচ।
গত এক দশকে চ্যাম্পিয়নস লিগে গোলসংখ্যায় রোনালদোর তুলনা হতে পারে শুধু লিওনেল মেসির সঙ্গে। তবে সেটা শুধুই গ্রুপপর্ব ও শেষ ষোলোর মঞ্চে। গ্রুপপর্বের দুজনের গোলসংখ্যাই সমান ৬০। শেষ ষোলোয় মেসি এগিয়ে। রোনালদোর (২০) চেয়ে ৪ গোল বেশি করেছেন বার্সেলোনা তারকা (২৪)। কিন্তু এরপর, মানে কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ফাইনাল পর্যন্ত রোনালদোর ধারে-কাছেও মেসি নেই!
বার্সেলোনা এবার কোয়ার্টার ফাইনাল থেকে ছিটকে পড়েছে। দুই লেগ মিলিয়ে মেসি কোনো গোল পাননি। পরিসংখ্যান বলছে, শেষ আটের এ মঞ্চে মেসি পাঁচ বছর ধরে গোলবঞ্চিত। তবে গোল যে একেবারেই পাননি, তা নয়। কোয়ার্টার ফাইনালে মেসির গোলসংখ্যা ১০। রোনালদো এবার কোয়ার্টার ফাইনালের দুই লেগ মিলিয়ে ৩ গোল করেছেন। ২০০৯ সালে রিয়াল মাদ্রিদে যোগ দেওয়ার পর শেষ আটের এই মঞ্চে তাঁর গোলসংখ্যা ২৩। অর্থাৎ মেসির গোলসংখ্যার প্রায় দ্বিগুণ।
সেমিফাইনালে এই পার্থক্যটা তিনগুণ! শেষ চারের এই মঞ্চে মেসির গোলসংখ্যা ৪। একই মঞ্চে রোনালদো করেছেন ১৩ গোল। সেমিতে এবারসহ রিয়ালের টানা আটবারের উপস্থিতি রোনালদোর গোল করায় এগিয়ে যাওয়ার একটা কারণ। যদিও ফাইনালে মেসি ব্যবধান কিছুটা ঘোচাতে পেরেছেন। পার্থক্যটা তারপরও দ্বিগুণ—মেসির গোলসংখ্যা ২, রোনালদোর ৪।
অর্থাৎ, চ্যাম্পিয়নস লিগের ধাপগুলো কঠিন থেকে কঠিনতর হয়ে ওঠার সঙ্গে রোনালদোও নিজেকে আরও খোলতাই রূপে মেলে ধরেন। এমনিতেই কী আর এই টুর্নামেন্টে সর্বোচ্চ ১২০ গোল করেছেন!

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here